ব্যাংক খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির চলতি জুনের প্রথম সপ্তাহে শেয়ারদর কমেছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকায়, এর আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৪০ পয়সা। এতে ট্রাস্ট ব্যাংক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৯৩ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে ট্রাস্ট ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৫৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ২৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৫০ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য সাড়ে ১২ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয় ট্রাস্ট ব্যাংক। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ছিল।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ট্রাস্ট ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৯৪ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৩৮৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৯ কোটি ৪০ লাখ ৭৯ হাজার ৪৮২। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ২২ দশমিক ২২ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বিদেশী ও বাকি ১৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।